গ্রামাঞ্চল শিল্পাঞ্চলের খবর :-টাকা ছাড়া কলকাতা সহ দেশের বড়বড় বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা পরিষেবা পাওয়া যায় না।প্রত্যেক হাসপাতাল ও হোটেল ব্যবসার চালু প্রক্রিয়া হলো কোটি কোটি টাকার ব্ল্যাকমানি নিবেশ।নামকা ওয়াস্তে ব্যাংক লোন থাকে।তাছাড়া বাংলা কেন ভারতবর্ষের প্রত্যেক বেসরকারি হাসপাতালের সাথে কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারের হাসপাতাল ও সংস্থার সাথে চুক্তি থাকে।ঐ চুক্তির কারণেই চোখের সামনে দেখা ডিসেরগড়ের কাছে সাঁকতোড়িয়া হাসপাতাল, আসানসোলের কাছে কোল ইন্ডিয়ার সেন্ট্রাল হাসপাতাল, ও চিত্তরঞ্জন লোকোমোটিভের কস্তুরবা গান্ধী হাসপাতাল সয়ং সম্পূর্ণ হলেও, যে কোন রোগীকে এইচ. এল. জি, দুর্গাপুরের মিশন হাসপাতাল, বিবেকানন্দ হাসপাতাল, আই. কিউ. সি. টি হাসপাতালে পাঠানো হয়।কোল ইন্ডিয়া, বি.এস.এন. এল সহ কেন্দ্রীয় সরকারী সংস্থা গুলি থেকে কোটি কোটি টাকা তুলে দেওয়া ঐ সব হাসপাতালে।ঝাড়খণ্ড রাজ্যের গোড্ডার সাংসদ একা লড়ে দুমকা জেলার রেল পরিবহনের উন্নতি করেছেন।রাঁচিতে ব্যাঙ্গালোরের নিমহানসের মতো নিউরোসাইন্স ও মেন্টাল হেলথের বড় হাসপাতাল রাজেন্দ্র প্রসাদ ইনস্টিটিউট অফ নিউরোসাইন্স ও মেন্টাল হেলথ গড়ে তুলেছেন।এবছর আবার চেষ্টা চরিত্র করে অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সাইন্স গড়ে তুলছেন,ফলে কেন্দ্র সরকারের একটি মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল হচ্ছে দেওঘরে।
এদিকে খবর পাওয়া যাচ্ছে রেল তার হাসপাতাল গুলি বন্ধ করে দিচ্ছে, কর্মীদের যে কোন জায়গায় চিকিৎসা র অধিকার দিচ্ছে।আর এই হাসপাতালে র মতো পরিসেবার সুযোগের অপব্যবহার করে হিন্দুস্তান কেবেলস, কুলটি, বার্নস্ট্যান্ডাড,সেন রেলের কর্মী ও তার পরিজনরা হাজার হাজার কোটি টাকার বিল করতে করতে সংস্থা বন্ধ হয়ে গেল।রেল যদি চিত্তরঞ্জন হাসপাতাল তুলে দেয় বা কেবল রেফারেল হাসপাতাল হিসেবে কাজ করে তাহলে সি.এল. ডাব্লুর হাল ও একই হবে।।
এ ক্ষেত্রে আসানসোলের সাংসদ তথা দুবারের মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয় চিত্তরঞ্জনের কস্তুরবা গান্ধী হাসপাতালকে এইমস এর ধাঁচে গড়ে তুললে, জমির অভাব হবে না, রেলের ফাঁকা স্কুল গুলিতে নার্সিং হোস্টেল, কর্মীদের থাকার আবাসন সবই বিনামূল্যে পাবেন।এখানকার মডিউলার অপারেশন থিয়েটার,এক্সরে ইউনিট, ডাইলসিস সেন্টার, আধুনিক আই. সি. ইউ সবই আছে, নেই কেবল বাবুল সুপ্রিয়র উদ্যোগ।।


0 Comments