Home কোয়ারেন্টাইন সেন্টারকে কেন্দ্র করে সালানপুর ব্লক ও চুরুলিয়া অগ্নিগর্ভ
কোয়ারেন্টাইন সেন্টারকে কেন্দ্র করে সালানপুর ব্লক ও চুরুলিয়া অগ্নিগর্ভ
করোনা ভাইরাসের জেরে সাধারণ মানুষ নিজেদের জীবন নিয়ে সর্বদাই ভয়ান্নিত।তাই রাজ্যের প্রায় সব গ্রাম , এলাকার বাসিন্দারা নিজ নিজ বাড়ির সাথে সাথে নিজেদের গ্রাম বা এলাকার মুখ্য দুয়ার গুলিকে বাঁশদিয়ে ঘেরাও করে দিচ্ছে , যাতে বাইরের লোক ঢুকতে না পারে , । বারাবনি বিধান সভার সালানপুর ব্লকেও এই একই চিত্র দেখতে পাওয়া যাচ্ছে গত দুদিন ধরে।যার ফলে এই ব্লকে কয়েকটি জায়গায় কোয়ারেন্টাইন সেন্টার করা নিয়ে এলাকার মানুষের সঙ্গে প্রশাসনের বাদানুবাদ লেগেই আছে।
সোমবার সকালে ইসিএলের সালানপুর রিজিওনাল হাসপাতালে কিছু লোককে রাখতে এলে স্থানীয় লোকজন বাঁধার সৃষ্টি করে।তেমনি সোমবার রাতে ৬ জনকে দুটি অ্যাম্বুলেন্সে করে আসানসোল থেকে রূপনারায়ানপুরের বর্ধমান ভবন বা নান্দনিকে রাখতে গেল আল্লাডি ব্রিজের কাছে স্থানীয়রা জমায়েত হয় , এবং এম্বুলেন্স ও পুলিশের গাড়ি আসতে দেখে উপস্থিত তিন চারশো স্থানীয় গ্রাম বাসীরা মারমুখি হয়ে ওঠে , এম্বুলেন্স ও পুলিশের গাড়িতে চড়াও হয়ে ইট , পাথর ছুড়তে থাকে।
অবস্থা বেগতিক দেখে এম্বুলেন্স ও পুলিশ গাড়ী ঘটনা স্থল থেকে ফিরে যায়।আদিবাসীরা ধামশা মাদল ও রাস্তায় টায়ারের আগুন লাগিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে।সালানপুর থানার ইনচার্জ পবিত্র কুমার গাঙ্গুলি , রূপনারায়ানপুর ফাঁড়ির ইনচার্জ সিকান্দার আলম , কল্যানেশ্বরী ফাঁড়ির ইনচার্জ অমরনাথ দাস তাদের পুলিশের দলবল নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে বিক্ষোভ কারীদের সাথে কথা বলে বোঝানোর চেষ্টা করে কিন্তু কোনো লাভ হয়নি।বিক্ষোভকারীদের দাবী প্রশাসন তাদের জীবনের কথা না ভেবে যে কোনো জায়গার মানুষকে রূপনারায়ানপুর নিয়ে এসে কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে রাখতে চাইছে , তা আমরা কোনো দিনও মানবো না।
বিক্ষোভকারীদের দেখে আল্লাডি মোড় ,
জেমারী মোড় ও দেন্দুয়া
মোড়ে ,ডাবর ও নান্দনিক
হলের সামনে লোকজন একত্রিত
হয়ে বিক্ষোভ দেখায় তারও বলেন
আমাদের এই এলাকায় কাউকে
কোয়ারান্টিনে রাখা হবে না।প্রশাসন
আমাদের জীবনের কথা ভাবছে
না আমরা কি করে
জানবো এদের কারও মধ্যে
কোরোনা ভাইরাসের সংক্রমণ আছে কি না।বিক্ষোভকারীরা
রাত্রি ৪টা পর্যন্ত রাস্তার
উপর দাঁড়িয়ে থাকে।কোনো রকমে এই ৬জনকে
রূপনারায়ানপুর ঢুকতে দেওয়া হয়নি
অবশেষে কোয়ারেন্টাইন জন্য আনা ৬জনকে
আসানসোল জেলা হাসপাতালে নিয়ে
যাওয়া হয়।
অন্যদিকে রাত ভোর চেষ্টা করে ও যখন এই ছয় জনকে
রূপনারায়ানপুরে রাখা যায় নি তখন ওদের কে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় এবং চুরুলিয়া তে রাখার
সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।কিন্তু ওদের চুরুলিয়া নিয়ে যাওয়া হলে ওখান কার বাসিন্দারা ও বিক্ষোভ
শুরু করে।বিক্ষোভ এতটাই জোরালো হয়ে ওঠে যে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি শুরু হয়,এমনকি
বোমা বাজি পযন্ত হয় বলে খবর।
0 Comments