ট্রেড ইউনিয়ন নেতাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা


কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারিদের  মহার্ঘ্য ভাতা অবসর প্রাপ্ত কর্মীদের মহার্ঘ্য ত্রান ভাতা দেওয়ার জন্যে রেল এবং অন্যান কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারিরা এককথায় ট্রেড ইউনিয়ন নেতাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন বিক্ষুব্ধ কর্মীরা সোশ্যাল মিডিয়া বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন।ইতিমধ্যেই সেনাবাহিনীর মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়।তবে সেনাবাহিনীর একজন অবসর প্রাপ্ত মেজর জেনারেল সুপ্রিম কোর্টে জনস্বার্থ মামলা করলে সৈন্যবাহিনী কিছুটা হলেও রাগ প্রসমিত করেছেন।একদিকে চীন,পাকিস্তান নেপাল বর্ডারে সেনাবাহিনী যাতায়াত বেড়েছে।অন্যদিকে এই করোনা,আমফন প্রভৃতি ক্ষেত্রে ভারতের নৌ সেনা,বায়ু সেনা পদাতিক বাহিনী যুদ্ধ ক্ষেত্রে যাওয়ার জন্যে প্রস্তুত হয়েছেন,না হয় পৌঁছে গেছে এছাড়া বি এস এফ, সি আর পি এফ, সি আই এস এফ, আই টি বি এন দেশে সীমান্তে কাজ চালু রেখেছেন।প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাদের জীবনের ঝুকি রয়েছে অন্যদিকে দেশের এই আপদকালীন পরিস্থিতি রেল পরিসেবা বহাল রয়েছে কিছু যাত্রীবাহি গাড়ি না চললেও এই মুহূর্তে রেল পণ্য পরিবহনে রেকর্ড সৃষ্টি করেছে।এই কথাগুলি মাথায় রেখে আই আর এফ এর সম্পাদক শিবগোপাল মিশ্র,কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং এর সাথে ২৮ জুন এক ঘন্টা বৈঠক করেন ,তিনি রাজনাথ সিং এর সাথে বৈঠকে ২০১৬ সালের ধর্মঘট প্রস্তাবের ওপর আলোচনা প্রসঙ্গ টেনে নিয়ে আসেন,অবিলম্বে সপ্তম পে কমিশনের বিসংগতি গুলো মীমাংসা করার দাবি জানান।এবং কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের বিশেষত রেল কর্মীদের সেনাবাহিনীর মহার্ঘ্য ভাতা অবসর প্রাপ্ত কর্মীদের মহার্ঘ্য ত্রাণ ভাতা অবিলম্বে মিটিয়ে দেওয়ার  দাবী জানান।কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং, শিবগোপাল বাবুর সব কথা শুনে অতি সত্বর অর্থমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সাথে শিবগোপাল বাবুর একটি বৈঠকের ব্যাবস্থা করবেন বলে জানিয়েছেন।এ খবর আই আর এফ সূত্রের অন্য দিকে রেল কর্মীদের মাল্টি স্কিলিং করার বেসরকারি করণ করার তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছেন সবকটি জোনের কর্মীরা দেখা যাচ্ছে দ্বিতীয় , তৃতীয় পে কমিশনে এস , ক্লার্ক গ্রেড টু টেকনিশিয়ান গ্রেড থ্রী রে বেতন কাঠামো একই ছিল।এছাড়া নার্স , ক্লার্ক , টেকনিক্যাল কর্মীদের বেতন কাঠামোতে একটা সামঞ্জস্য ছিল। পরিবর্তী সময়ে রেলের  কারিগরী বা টেকনিক্যাল কর্মীদের টেকনিক্যাল সুপার ভাইজার দের পদোন্নতি বেতন কাঠামো নিয়ে  কেন্দ্রীয় সরকার পে কমিশন গুলি রাহসজনক ভাবে বঞ্চিত করে চলেছে আগে  দপ্তরের আলাদা বাজেট হতো সে কারনে কেন্দ্রীয় সরকারের সব সুবিধা রেল কর্মীরা পেত না কিন্তু বর্তমানে রেল এবং অন্যান দপ্তরের বাজেট এক সাথে হওয়ার পরও রেলের যে সকল ব্যাক্তির গ্রেড পে ৪২০০ টাকা তাদেরকে অফিসার হিসাবে স্বীকৃতি দেয় নি।অন্যদিকে রেলে ব্যাপক কর্মী ছাটাই, বহু ক্ষেত্রে বেসরকারি করণ ,উৎপাদন  ইউনিট গুলিকে একজোট করে কর্পোরেট সংস্থার ধাঁচে চালু করার চেষ্টা চলছে এই নিয়ে রেল কর্মীরা বিভ্রান্ত এই চাপ পড়ছে ট্রেড ইউনিয়নের নেতৃত্বের কাঁধে।

Post a Comment

0 Comments