নি:স: শুধুমাত্র রুপনারায়ণপুর ফাঁড়িতেই করোনা আক্রান্ত ৫ পুলিস কর্মী। আক্রান্ত হয়েছেন পুলিসকর্মীদের পরিবারের সদস্যদেরও কয়েকজন। আদতে সালানপুর ব্লক জুড়ে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। গত চার দিনে ১৬ জন পজিটিভ রূপনারায়ণপুর এলাকায়। সালানপুরে শুরু হয়েছে র্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্ট। দেখা যাচ্ছে প্রাপ্ত নমুনার প্রায় ১৩ শতাংশ পজিটিভ। যেটা যথেষ্ট উদ্বেগের । এখন অবধি চিত্তরঞ্জন, রূপনারায়ণপুর এলাকায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা কমপক্ষে ৩০ জন। তার ১৬ জনই আক্রান্ত হয়েছেন গত চার দিনে। চিকিত্সকরা বলছেন
অবিলম্বে সতর্ক না হলে ভয়াবহ পরিস্থিতির সামনে গোটা এলাকা। মূলত বাজার এলাকা থেকেই করোনা ছড়িয়ে পড়ছে বলে আশঙ্কা করছেন চিকিত্সকদের একাংশ। বাজারে কেউ আক্রান্ত কি না খতিয়ে দেখতে আগামি কয়েকদিনের মধ্যেই রূপনারায়ণপুর সহ বিভিন্ন বাজারে র্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্ট করা হবে। চিকিত্সকদের আশঙ্কা, যা অবস্থা আগামি কয়েকদিনে আক্রান্তের সংখ্যা অনেকটাই বাড়বে। এদিকে গত চব্বিশ ঘন্টায় গোটা পশ্চিমবর্ধমান জেলায় ৯০ জন আক্রান্ত হয়েছেন। অর্থাত্ পরিস্থিতি মোটেই সুবিধার নয়। আক্রান্তের গ্রাফ যদি এরকমই উর্ধ্বমুখী হয় হাসপাতালে বেড পাওয়া মুশকিল।ফলে চিকিত্সা পেতেও সমস্যা হবে। কিন্তু কোনও মতেই হুঁশ ফিরছে না সাধারণ মানুষের। বাজারে উপচে পড়া ভিড়। মাস্কের ব্যবহারে শিথিলতা। চায়ের দোকানে আড্ডা। রূপনারায়ণপুর, চিত্তরঞ্জন যেন আমন্ত্রণ জানাচ্ছে করোনা কে। এরই মধ্যে ডেঙ্গি নিয়েও ভয় পাচ্ছেন চিকিত্সকরা। মূলত সেপ্টেম্বরের প্রথম থেকে শুরু হয় ডেঙ্গির হামলা। আর সেপ্টেম্বরে করোনা আক্রান্তের সংখ্যাও এলাকায় বাড়বে। অশনিসঙ্কেত দেখছেন চিকিত্সকরা।এদিকে গত চব্বিশ ঘন্টায় রাজ্যে করোনা সংক্রমণে মারা গেলেন ৬১ জন।গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্তের সংখ্যা
রাজ্যে ২৮১৬ জন।


0 Comments