চিত্তরঞ্জনের বুকে আবার গুলি করে খুন


সংরক্ষিত রেল শহর চিত্তরঞ্জনের বুকে আবার রেলের বাতিল দ্রবে্র নিলাম কে কেন্দ্র করে সন্ধ্যা র মুখে খুব কাছ থেকে গুলি করে মারা হলো বলরাম সিং নামে এক ব্যক্তিকে, খবর, নিলাম শেষ হয়ে যাওয়ার পর বলরাম তার স্কুটার চেপে বাড়ির দিকে রওনা দেয়। হটাৎ ই একটি কালো পালসার মোটরসাইকেল আরোহী সংখ্যায় দু জন। দুজনেই মাথায় হেলমেট পরে ছিল। কিছু বোঝার আগেই মোটরসাইকেল আরোহীর এক জন বলরাম কে খুন করার জন্য পর পর তিনটি গুলিকরে। একটা গুলি ফস্কে গেলে বলরাম এর মাথায় ও বুকে গুলি করা হয়। বলরামকে রেল হাসপাতালে  নিয়ে গেলে মৃত ঘোষণা করে।এই ঘটনার পর আরপিএফ চিত্তরঞ্জন সম্পূর্ণ রূপে সিল করা হয়েছে।পুলিশ হামলা কারীদের সন্ধান শুরু করেছে।

পুলিশ এটিকে ব্যাক্তিগত লড়াই হিসাবে সন্দেহ করছে। ঘটনার পরে বলরাম সিং এর অনেক পরিজনেরা হাসপাতালে জড়ো হয়েছে।এখানে প্রশ্ন অনেক বর্তমানে চিত্তরঞ্জনে ই অকসন প্রথা চালু করা হয়েছে। সে কারণে যারা ই টেনড়ারে ডাক দিয়েছে তারা ছাড়া অন্য কারো থাকার কথা নয়। নিলামে র দিন রাজ্য সরকারের পুলিশ ও আর পি এফ শহর চিত্তরঞ্জনের বুকে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অভ্যস্ত। অথচ এবার খুনের ঘটনায় প্রমান হলো রেল শহর চিত্তরঞ্জনের নিরাপত্তা নিশ্চিত নয়। নিলাম দাররা সকলেই শাষক দলের নেতা বা সমর্থক হিসেবে নাম লেখান।এখানেও তাই। পুলিশ বলছে তদন্ত চলছে, কিন্তু পুলিশ চেষ্টা করলে অপরাধিদের ধরা খুব কঠিন নয় কারণ চিত্তরঞ্জন সি সি টিভিতে মোড়া।এনিয়ে  সালানপুর ব্লক তৃণমূলের যুব নেতা মুকুল উপাধ্যায় জানান যে বলরাম সিং তৃণমূলের এক সক্রিয় কর্মী ছিলেন।সে চিত্তরঞ্জন কারখানায় লোহার যন্ত্রপাতি সহ বিভিন্ন সামগ্রী নিলামের কাজ করত এবং বিভিন্ন ব্যাবসার সাথে জড়িত ছিল,কোন ব্যাবসায়িক শত্রুতার কারণেই মনে হয় তাকে খুন করা হয়েছে ।বলরাম পারিবারিক ছেলে ছিলো পরিবার নিয়ে থাকতো,
তিনি বলেন এই ঘটনার সম্পূর্ণ ভাবে তদন্ত চায়।প্রশাসনকে ৭দিন সময় দেওয়া হলো না হলে আমরা বড়ো আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবো।

তবে চিত্তরঞ্জন রেল নগরীতে এভাবে দিনে দুপুরে খুন হওয়ায় চিত্তরঞ্জন রেল পুলিশ এর উপর প্রশ্ন উঠেছে যে কিভাবে এই রেল শহরে নিরাপত্তা রক্ষা হচ্ছে ।শেষ খবর পর্যন্ত পুলিশ দুই জনকে আটক করেছে বলে জানা গেছে।

Post a Comment

0 Comments