নাসার বিজ্ঞানীদের দেওয়া সূত্র থেকে ওয়াশিংটন পোস্টের রিপোর্ট অনুসারে সূর্যের শরীরের তাপমাত্রা কমা শুরু হয়েছে । চলবে ৩০ বছর ধরে, ২০৫০ সাল পর্যন্ত। এতে সূর্য বক্ষে উদ্ভূত চৌম্বক বলরেখার সংখ্যা, sun's
spot,-এর সংখ্যাও কমে যাবে। ফলে মহাজাগতিক তড়িৎ চুম্বকীয় তরঙ্গ অতি সহজে পৃথিবীর আবহমন্ডলে প্রবেশ করবে;পৃথিবীর মেরু দিয়ে প্রবেশ করে লন্ড ভন্ড করে দেবে পৃথিবীর চৌম্বকক্ষেত্র । ক্ষতিগ্রস্হ হবে Van
Allen belts. যা বিষুবীয় (equator) অঞ্চল থেকে ১০০০ থেকে ৫০০০ কিমি,প্রথম পর্যায়ে এবং ১৫০০০ থেকে ২৫০০০ কিমি পর্যন্ত দ্বিতীয় পর্যায়ে বিস্তৃত।
আশংঙ্কা, এই সময়কালে ঘটতে পারে ভূমিকম্প,বজ্রপাত,আগ্নেয় গিরির অগ্নুৎপাত ; কৃত্রিম উপগ্রহ গুলোর সঙ্গে যোগাযোগে হতে পারে যান্ত্রিক সমস্যা, দেখা দিতে পারে খাদ্য সংকট!
বিগত ১৭৯০ থেকে ১৮৩০ সাল, চল্লিশটা বছর ধরে এসব ঘটনায় ঋতু বৈচিত্রে এমন পরিবর্তন ঘটেছিল যে; ১৮১৬ সালে পৃথিবীর বহু দেশে বসন্ত আসেনি। জানা যায়, আমেরিকা তে গ্রীষ্মে তুষারপাত হয়েছিল।
যতটুকু তথ্য : প্রতি ২০০ বছরে এমন ভাবে সূর্যের তাপমাত্রা কমায়, পৃথিবী কম তাপ পেয়ে আরো বেশি ঠান্ডা হলে; সারা বছর শীত অনুভূত হবে। ফসল উৎপাদনে তার প্রভাব পড়বে। সাধারণ ভাবে প্রতি ১১ বছর অন্তর সূর্য " মিনি সৌর নিম্ন" হয়।
আরো জানা যাচ্ছে -- সূর্য, বিপজ্জনক "সোলার মিনিমাম" হয়, প্রতি ৪০০ বছর অন্তর। ২০২০ সাল নাকি এই ৪০০ বছরের অংশ! এমনিতেই আমরা কোভিড-১৯ আর "আমপান"-এ বিপর্যস্ত ; তার পরে সূর্য যাচ্ছে ঘুমুতে! সূর্যের সংসারে ঘর বেঁধে কী বিপত্তি না হলো;বলুনতো!
তবুও, এ পৃথিবীর ওপর এবং সাগর- মহাসাগরের জলে আবির্ভূত জীবের/ জীবনের
(emergence of life) বিবর্তনের
মাধ্যমে উদ্বর্তনের চার্লস ডারউইনের প্রাকৃতিক নির্বাচনের নৌকোয় ; আমাদের কঠিন হাতে, কষে হাল ধরতেই হবে।
কৃতজ্ঞতা স্বীকার : মিলন চন্দ্র গাইন ।
পশ্চিমবঙ্গ বিজ্ঞান মঞ্চ
0 Comments