বিজেপির
দাবী তাদের ত্রাণ সামগ্রী বিলি করতে দেওয়া হচ্ছে না।এ নিয়ে তারা একদিনের বিক্ষোভ সমাবেশও
করলেন।কিন্তু বাস্তব ঘটনা হলো কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয় তার কেন্দ্রে এসে ভোটারদের
পরিবার গুলির সাথে কোনো যোগাযোগই রাখছেন না।চার্টার্ড বিমানে যদি মমতা ব্যানার্জিপরামর্শ
দাতা প্রশান্ত কিশোর আসতে পারেন।তৃণমূলের বিধায়করা যদি প্রত্যেক দিন কোন না কোন এলাকায়
গিয়ে ত্রাণ নিয়ে হাজির হতে পারেন,সেখানে বাবুল সুপ্রিয় হাজির নন কেন, এ প্রশ্ন উঠতে
শুরু করেছে।
করোনা
মহামারি রুখতে বা এলাকার হাসপাতাল গুলিতে বিশেষত কেন্দ্রীয় সরকারি হাসপাতাল গুলি কে
এক ছাতার তলায় এনে চিকিৎসা ক্ষেত্রে যুগান্তকারী রূপ রেখা তৈরি করতে পারতেন।বিশেষত
চিত্তরঞ্জন, আসানসোল, আন্ডাল রেল হাসপাতাল, ই সি এলের দেন্দুয়া রিজিওনাল হাসপাতাল,
পান্ডেবেশ্বর, খোট্টাডিহির হাসপাতাল, সাঁকতোড়িয়া ও কাল্লার ইএস আই হাসপাতাল গুলিকে
রেফারেল হাসপাতাল করতে পারতেন।সবকটি হাসপাতালেই পরিকাঠামো রয়েছে, যন্ত্রপাতি ও কম নেই।ডাক্তার
ও আছেন।তবে, সব হাসপাতাল গুলিতে আরো ডাক্তার, নার্স, স্বাস্থকর্মী নিয়োগ করে তাঁর নিজের
নিবার্চন কেন্দ্রের স্থায়ী স্বাস্থ গড়ে তুলতে পারেন ও পারতেন।এতে আর যাই হোক ঐ হাসপাতাল
গুলি রেফারেল হাসপাতাল হলে এলাকার মানুষ বেঁচে যাবে,সে ব্যাপারে বাবুল বাবুর কোন উদ্যোগই
নেই।এ ব্যবস্থা কায়েম হলে, প্রধান মন্ত্রী স্বাস্থ যোজনা ও রাজ্য স্বাস্থযোজনার খরচ
উঠে যাবে।এলাকার মানুষকে দক্ষিণের ভরসা আর করতে হবে না, কিন্তু বাবুল বাবুর এ দিকে
লক্ষ্য নেই বলে অভিযোগ উঠেছে।
0 Comments