সোশ্যাল মিডিয়ার ভুল খবর নিয়ে নেতাজি কলোনি তোলপাড়

গ্রামাঞ্চল শিল্পাঞ্চলের খবর:অন্ধপ্রদেশ থেকে আসা এক যুবকের হোম
কোয়ারেন্টাইনে থাকার নির্দেশ কে ঘিরে ধুন্ধুমার লেগে গেল উত্তরামপুর জিৎপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের নেতাজি কলোনিতে।জানা যায়, নেতাজি কলোনির বাসিন্দা দিলীপ সরকারের ছেলে সুজিত সরকার অন্ধ্রপ্রদেশে কাজ করেন। ট্রেন থেকে নেমে আসানসোলের এইচ এল জি হাসপাতালে করোনার যাবতীয় প্রাথমিক পরীক্ষা করান সুজিত। সেখান থেকে সুজিতবাবুকে বলা হয় সাত দিন হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকতে। পরীক্ষার কাগজপত্র নিয়ে তিনি বাড়ির পথে পা বাড়ান। কিন্তু এখান থেকেই শুরু হয় গল্প, সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্ধপ্রদেশ থেকে আসা ও নেতাজি কলোনির হইচই নিয়ে আমরা আসলে কী হয়েছে সে নিয়ে খোঁজ খবর করতে শুরু করি, এবং যোগাযোগ করি ঐ এলাকার পঞ্চায়েত সদস্য সুজিত মোদকের সাথে।সুজিত বাবু কে আমরা সোশ্যাল মিডিয়ার খবর নিয়ে প্রশ্ন করা হলে, তিনি বলেন অন্ধপ্রদেশ থেকে এক যুবক এখানে এসেছে ও সাত দিন হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার কথা একদম ঠিক বলে স্বীকার করেন। কিন্তু হোম অর্থাৎ বাড়িতে ঢুকতে দিচ্ছে না পাড়ার লোকজন,বা সে নিয়ে এলাকায় কোনো হইচই হয়েছে এটা ঠিক নয়।তিনি বলেন দুর থেকে এই এলাকা সম্বন্ধে জানা যায় না,যারা ঘটনা টা নিয়ে নানা মত প্রকাশ করেছেন তারা জানেননা এই কলোনির বাসিন্দারা পরিবারের মতো এখানে বসবাস করে, তাই ঘরের ছেলে ঘরে এসেছে এ নিয়ে হইচই সম্ভব নয়।পঞ্চায়েত সদস্য সুজিত বাবু, নেতাজি কলোনির বাসিন্দাদের ও অন্ধপ্রদেশ থেকে আসা যুবক ও তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা সকালেই বলেন,হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার কথা, কিন্তু ঐ যুবককে ঘরে রাখলে পরিবারের সদস্যরা বাইরে বেরতে পারবে না, তাই তাকে অন্য জায়গায় রাখার কথা ঠিক হয়।।
কিন্তু সরকারি কোনো আদেশ নেই, তাই এলাকার কোয়ারেন্টাইন সেন্টার গুলিতে রাখা সম্ভব হচ্ছে না, তাই এলাকার বাসিন্দারা ও পঞ্চায়েত সদস্য সুজিত মোদক পঞ্চায়েত প্রধান তাপস চৌধুরী কে জানিয়ে ঠিক করেন,এলাকার স্কুলের একটি ঘরে তাকে রাখার, এলাকার বাসিন্দা দের ইচ্ছাতেই এই ব্যবস্থা।
কিন্তু এক সোশ্যাল মিডিয়ায় বলা হয় স্কুলের থাকা নিয়ে হইচই শুরু হয় নেতাজি কলোনিতে, কিন্তু এলাকার বাসিন্দারা, পঞ্চায়েত সদস্য ও প্রধান কে সাথে নিয়ে এই ব্যবস্থা করেছিল তাহলে হইচই করলো কারা, যদি হইচই হয়ে থাকে তাহলে এলাকার বাসিন্দারা জানে না,যা অবাক করার মতো।
সোশ্যাল মিডিয়ার খবরের ফলে নেতাজি কলোনির বাসিন্দারা জমায়েতে হন পাপ্পু উপাধ্যায় স্মৃতি মঞ্চের সামনে এবং সেখান থেকেই বিক্ষোভ দেখাতে থাকে। এলাকার বাসিন্দারা আমাদের বলেন নেতাজি কলোনি ও কলোনির বাসিন্দাদের বদনাম করার চেষ্টা করছে একটি সোশ্যাল মিডিয়া।এখানের ঘটনার সম্পূর্ণ উল্টো ঘটনা প্রচার করেছে, তাই আপনাদের মাধ্যমে জানাই ঘরের ছেলে ঘরে ফিরছে এতে বাঁধা দেবার প্রশ্নই আসে না।সুরজিৎ সরকারের বাবা সবজি বিক্রেতা, ছেলের হোম করেন্টাইন হলে ,পরিবারের সকল সদস্যদের অসুবিধা হবে, তাই এই পরিবারের সদস্যদের স্বার্থে স্কুলে রাখার সিদ্ধান্ত হয়, কিন্তু ছেলে সেখানে একা থাকতে পারবেনা, ভয় পাবে বলে, শেষ পর্যন্ত তাকে ঘরেই রাখা হয়।কিন্তু একটি সোশ্যাল মিডিয়া ঠিক এর উল্টো খবর পরিবেশন করে, এবং নেতাজি কলোনির বাসিন্দাদের, পঞ্চায়েত সদস্য ও প্রধানের নাম বদনাম করার চেষ্টা করছে বলে জানান।এই নিয়ে
নেতাজি
কলোনির বাসিন্দারা, সুরজিৎ সরকারের বাবা ও পঞ্চায়েত সদস্য সুজিত মোদকের বক্তব্য নীচে দেওয়া হলো।
0 Comments