চিত্তরঞ্জনে করোনা


চিত্তরঞ্জন রেল শহরের বাসিন্দা করোনা আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীনএটাই বড় খবর, এক কথায় রেল শহর চিত্তরঞ্জনকে নিরাপত্তা মুড়ে দেওয়া হয়েছেবাইরের লোকের যাতায়াত ৯৫ ভাগ বন্ধব্যাংক, পোস্ট অফিস, থানা, রেল হাসপাতাল বাজারে যাওয়ার উপরও অনেক বিধি নিষেধদোকানদার, ওষুধের দোকান যাওয়ার জন্যও মানুষের কষ্টের সীমা নেই

এই পরিস্থিতিতে চিত্তরঞ্জন হাসপাতালের মহিলা ড্রেসার উমেশ বাল্মীকির (৪৮)করোনা পজিটিভ প্রমান করে, এই রোগ হাসপাতাল বাহিতকারন হিসেবে বলা হয়েছে, শ্রীমতি বাল্মীকি রেল তথা কেজি হাসপাতালের কর্মীকদিন আগে হঠাৎ তাঁর বুকে ব্যাথা উঠে, প্রথমে কেজি হাসপাতালে পরে কোলকাতার বি.এম.বিড়লা হাসপাতালে রেফার করা হয়কোলকাতাতেই করোনা পরীক্ষা তাঁর শরীরে করোনার সন্ধান মেলেএবার যা হয় তাই হলো, ঠিক হাসপাতাল লাগোয়া১৬নম্বর রাস্তার ৯এ কোয়াটারের বাসিন্দা উমেশ দেবীর পরিবারকে ঘরেই কোরানটাইনে করে রাখা হয়বড় খবর হাসপাতালের আরো৪০জন কর্মীকেও কোরানটাইনে পাঠানো হয় বলে খবরমহিলার ছেলে মেয়ে কোয়াটারে থাকেন, বাইরে থেকে কেউ আশা যাওয়া করেনিতবুও উমেশ দেবীর বিড়লা হাসপাতালে পরীক্ষায় করোনা পজেটিভ কিভাবে বেরল, কোথায় এর যোগ সুত্র, কেজি হাসপাতাল না বি এম বিড়লা হাসপাতালএর প্রশ্ন সবার মুখেতাহলে কি হাসপাতাল থেকেই সংক্রমণ ছড়াচ্ছে, না অন্য গল্প রয়েছেএই মুহূর্তে দেখা যাচ্ছে রেফারেল হাসপাতাল গুলি থেকে রোগ ছড়াচ্ছেআসানসোল মহকুমার বেশির ভাগ করোনা আক্রান্তের পরীক্ষার পর জানা গেছে তাঁরা কোনো না কোনো বড় হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য গিয়েছিলেনচিত্তরঞ্জনে স্বয়ং সম্পূর্ণ হাসপাতাল থাকা সত্বেও ডাক্তার নার্স কমডাক্তার দের ব্যপক হারে বদলির কারনে, হাল ধরার কেউ নেইমেয়েদের প্রসব করতে হলে পাঠানো হচ্ছে এইচ. এল. জি হাসপাতালে এবং হাসপাতালে রয়েছে করোনার লালারস রস পরীক্ষা করোনা আক্রান্ত দের চিকিৎসার ব্যবস্থা একেই বলে বর্জ্য আঁটুনি ফস্কে গিরে

Post a Comment

1 Comments